April 19, 2026, 11:05 am

বিমানবন্দরে পথচারীদের রাস্তা দখল করে ফুটপাত বাণিজ্য

স্টাফ রিপোর্টারঃরাজধানীর বিমানবন্দর বঙ্গমাতা কলেজের গলিতে পথচারীদের রাস্তা দখল করে ফুটপাত চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানাগেছে,রাস্তার দুই পাশ দখল নিয়ে এই এই বাণিজ্য চলছে দীর্ঘ দিন যাবৎ।হাজী ক্যাম্পের বিপরীত পাশে চোখ তাকালেই দেখা যাবে দীর্ঘ সারি সারি দোকান।মাছ,তরকারি, ফল,ভাজাপোড়ার দোকান,কাপড়ের দোকান,সহ বিভিন্ন হরেক রকম দোকান,সব মিলিয়ে প্রায় ১৫০-২০০ দোকান।এই দোকান গুলোর জন্যই সারাক্ষণ লেখে থাকে যানযট।পথচারী ঠিকমতো তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেনা।কিছু দিন আগে উওরা জোনের উপপুলিশ কমিশনার মোর্শেদ আলম ফুটপাত উঠিয়ে নিলেও ফের আবার কিছু অসাধু কমকর্তা এই ফুটপাত বসিয়ে আবার বাণিজ্য শুরু করেছে।
জয় নামে একজন দোকানী জানান,প্রতিদিন ৫০০ টাকা চাঁদাদিতে হয়।না দিলে দোকান বসানো যায় না।নাসিম নামে একজন মাছের দোকানী বলেন,প্রতিদিন ১০০০ টাকা করে দেই।কাকে দেন জিজ্ঞেস করলে তিনি বিষয়টি এরিয়ে গিয়ে বলেন,আপনার তো জানেন,তবে নাম না প্রকাশের শর্থে একজন দোকানী বলেন,এয়ারপোর্টে পুলিশ বক্সের এস আই সফিক,লিজাউর রহমান বিপুল,ডিবজল বাবু,সহ বেশ কয়েকজন মিলে এই চাঁদার টাকা ভাগবাটোয়ারা করে নেয়। এই টাকার ভাগ চলে যায় উপর মহলের কিছু নেতা কর্মীর কাছে।বিকেল হতেই কিছু দাগী আসামি দের দিয়ে এই টাকা তোলা হয়।
ফুটপাত বাণিজ্যের বিষয় এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ ফরমান আলী বলেন,কে বা কারা এই দোকান বসিয়েছে তা তিনি জানেন না,

সিটি করপোরেশন নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট জুলকার নয়ন বলেন।জনগণের রাস্তা দখল করে ফুটপাত বাণিজ্য চলবে না।এই রাস্তার মালিক জনগণ। দু একের মধ্যেই অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা